নম্বরবিহীন ডেবিট কার্ড আনল মাস্টারকার্ড ও প্রাইম ব্যাংক, সুবিধা কী কী

· Prothom Alo

দেশে প্রথমবারের মতো নম্বরবিহীন ডেবিট কার্ড চালু করেছে মাস্টারকার্ড ও প্রাইম ব্যাংক। প্রাইম ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাইম নাও’র সঙ্গে যৌথভাবে উন্মোচিত এই কার্ডে সিভিভি (কার্ড ভেরিফিকেশন ভ্যালু), কার্ড নম্বর কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ—সবকিছু দৃশ্যমান থাকবে না। ফলে কপি, স্কিমিং বা সরাসরি দেখে তথ্য চুরির ঝুঁকি কমবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রাইম ব্যাংকের বোর্ড চেয়ারম্যান তানজিল চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠার ৩০ বছরে ব্যাংকটি আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে এগিয়েছে। এখন উদ্ভাবনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে। নম্বরবিহীন কার্ড চালুর মাধ্যমে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। এতে গ্রাহকের গোপনীয়তা সুরক্ষা ও ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Visit arroznegro.club for more information.

কার্ডের সুবিধা কী কী

‘প্রাইম নাও’ মাস্টারকার্ডের সব সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষিত থাকবে মোবাইল অ্যাপে। অ্যাপে রয়েছে কয়েক স্তরের অথেনটিকেশন ও ঐচ্ছিক বায়োমেট্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা। ফলে কার্ডধারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী মুঠোফোন থেকেই অনলাইন লেনদেনের তথ্য দেখতে ও ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্যাংকটি জানিয়েছে, নতুন কার্ডে অ্যাপভিত্তিক পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের সুবিধা থাকবে। নিরাপদ কিউআর–ভিত্তিক অ্যাকটিভেশন, ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ, অ্যাকসেস ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল রিইস্যুর সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। এতে কোনো ব্যবহারযোগ্য তথ্য দৃশ্যমান না থাকায় কার্ড হারিয়ে গেলেও অননুমোদিতভাবে কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।

এই ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে দেশজুড়ে মাস্টারকার্ডের ১০ হাজারের বেশি পার্টনার মার্চেন্টে বিভিন্ন অফার ও সুবিধা পাওয়া যাবে। এই আধুনিক কার্ডে গ্রাহকেরা পছন্দমতো নকশা বেছে নেওয়া, নিজের নাম যুক্ত করা এবং এক ট্যাপে ই-কমার্স সুবিধা চালুর সুযোগ পাবেন।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, নম্বরবিহীন ডেবিট কার্ড দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট–যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। গ্রাহকেরা এখন বেশি গোপনীয়তা ও সহজ নিয়ন্ত্রণ চান। এই প্রযুক্তি লেনদেনকে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করবে।

প্রাইম ব্যাংক ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ঢাকার গুলশান অ্যাভিনিউতে প্রধান কার্যালয়সহ সারা দেশে তাদের ১৪৯টি শাখা ও ১৫৮টি এটিএম রয়েছে। অন্যদিকে মাস্টারকার্ড বিশ্বের ২০০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা দিয়ে থাকে।

Read full story at source