৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষের ঐতিহাসিক যাত্রা, দেখুন ছবিতে

· Prothom Alo

দীর্ঘ প্রায় ৫৪ বছরের অপেক্ষার অবসান! নাসার মেগারকেট স্পেস লঞ্চ সিস্টেম এবং ওরিয়ন ক্যাপসুলে চেপে চার নভোচারী অবশেষে চাঁদের পানে উড়াল দিয়েছেন। ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে অ্যাপোলো ১৭ মিশনের পর এই প্রথম মানুষ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ছাড়িয়ে মহাকাশের এত গভীরে যাত্রা করল।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ইউএস ইস্টার্ন ডেলাইট টাইম অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়। আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী রাত ১০টা ২৪ মিনিট। আর বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ঘটে ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ২৪ মিনিটে!

Visit moryak.biz for more information.

বর্তমানে রকেটটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরছে। বৃহস্পতিবার একটি বিশেষ ইঞ্জিন বার্নের মাধ্যমে এটি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চাঁদের দিকে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২৪২ কিলোমিটারের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করবে। চলুন, দারুণ সব ছবির মাধ্যমে দেখে নিই এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণের মুহূর্তগুলো। ছবিগুলো নেওয়া হয়েছে দ্য গার্ডিয়ান থেকে।

২৯ মার্চ ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালের কেনেডি স্পেস সেন্টারে আর্টেমিস ২ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট ও ওরিয়ন ক্রু ক্যাপসুলের দিকে তাকিয়ে আছেন দর্শনার্থীরা। কুইবেকের কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সিতে আর্টেমিস ২ মিশনের উৎক্ষেপণ দেখার জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কানাডিয়ান নভোচারী ডেভিড সেন্ট-জ্যাকস। উৎক্ষেপণের আগের দিন কেনেডি স্পেস সেন্টারে ক্যামেরা প্রস্তুত করছেন সাংবাদিকেরা। ফ্লোরিডার টাইটাসভিলে আর্টেমিস-থিমের টুপি পরে মুন রকেট উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় খুদে দর্শকেরা। টাইটাসভিলের এ ম্যাক্স ব্রুয়ার ব্রিজ থেকে ঐতিহাসিক এই উৎক্ষেপণ দেখতে জড়ো হয়েছেন অসংখ্য মানুষ।কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড ৩৯বি-তে ওরিয়ন স্পেসক্রাফট নিয়ে মহাকাশে ওড়ার অপেক্ষায় সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট।অপারেশন অ্যান্ড চেকআউট ভবন থেকে বেরিয়ে লঞ্চ প্যাড ৩৯বি-এর দিকে যাচ্ছেন (বাঁ থেকে) পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, মিশন স্পেশালিস্ট জেরেমি হ্যানসেন ও ক্রিস্টিনা কোচ। উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় থাকা উৎসুক জনতা। আর্টেমিস রকেটে ওঠার আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসিমুখে বিদায় নিচ্ছেন মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ। লঞ্চ প্যাড ৩৯বি-তে যাওয়ার জন্য নভোচারীদের বিশেষ ভ্যানে ওঠার আগে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন জানাচ্ছেন ক্রুরা। এ ম্যাক্স ব্রুয়ার ব্রিজে অপেক্ষমাণ দর্শনার্থীদের ভিড়। রকেটে ওঠার আগে পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে ফ্লাইং কিস ছুড়ে দিচ্ছেন আর্টেমিস ২ মিশনের পাইলট ভিক্টর গ্লোভার। টাইটাসভিলের একটি পার্কে জড়ো হয়েছেন মহাকাশপ্রেমীরা। ওরিয়ন ক্রু ক্যাপসুলে প্রবেশের ঠিক আগে রিমোট ক্যামেরার দিকে থাম্বস আপ দেখাচ্ছেন নাসার কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, তাঁর পাশে আছেন কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন।উৎক্ষেপণের ঠিক আগে সাংবাদিকদের চরম ব্যস্ততা ও প্রস্তুতি। ঐতিহাসিক আর্টেমিস ২ মিশনের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ; পৃথিবীর মাটি ছাড়ল রকেট!উৎক্ষেপণের এই রোমাঞ্চকর মুহূর্তটি উপভোগ করছেন নাসার ভক্তরা।কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আগুন ও ধোঁয়া উড়িয়ে মহাকাশের পথে আর্টেমিস ২।চাঁদের পথে উড়াল দিল নতুন প্রজন্মের লুনার মিশন। অন্ধকার আকাশ আলোকিত করে মহাকাশে ছুটে চলেছে আর্টেমিস ২!

Read full story at source