মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ঢল, তীব্র যানজট, হেঁটে যাতায়াত
· Prothom Alo

ঈদের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। এতে চিড়িয়াখানা এলাকার সড়কে তৈরি হয়েছে তীব্র যানজট। যানবাহন না পেয়ে হাজারো মানুষ হেঁটে যাতায়াত করছেন। দর্শনার্থীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে। আজ রোববার দুপুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
Visit tr-sport.bond for more information.
সরেজমিনে দেখা যায়, মিরপুর ১ নম্বরের সনি সিনেমা হল থেকে চিড়িয়াখানার দিকে অল্প এগোলেই যানজট শুরু। দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে অনেকে বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে নেমে যাচ্ছেন। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা হেঁটে তাঁরা চিড়িয়াখানায় যাচ্ছেন।
মানুষের ঢল থাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে রাইনখোলা মোড় থেকে চিড়িয়াখানার দিকে যানবাহন যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে চিড়িয়াখানাগামী সব ধরনের দর্শনার্থীদের প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেঁটে যেতে হচ্ছে।
অন্যদিকে চিড়িয়াখানা থেকে বের হওয়া লোকজনও যানবাহন পাচ্ছেন না। ফলে তাঁরা হেঁটেই গন্তব্যে যাচ্ছেন।
স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে আশুলিয়া থেকে জাতীয় চিড়িয়াখানার উদ্দেশে আসেন মো. আল আমিন। পরিবার নিয়ে তিনি হেঁটে হেঁটে চিড়িয়াখানার দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সনি সিনেমা হল থেকে একটু এগোতেই দেখি প্রচুর যানজট। কিছুক্ষণ বসে থেকে তাই পরিবার নিয়ে হেঁটেই রওনা দিলাম।’
মা, বোন ও ভাইকে নিয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে চিড়িয়াখানায় আসেন মো. হোসাইন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘চিড়িয়াখানায় প্রচুর ভিড়। আসার সময় ৪০০ টাকা দিয়ে যাত্রাবাড়ী থেকে চিড়িয়াখানা এসেছিলাম। চিড়িয়াখানা থেকে বের হয়ে দেখি, আশপাশে যানবাহন নেই। যে দু-একটা আছে, বাড়তি ভাড়া চায়।
সিএনজিচালকেরা যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা ভাড়া চাচ্ছেন। এখন পরিবার নিয়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছি।’
হোসাইনের বোন রোকেয়া আক্তার। তিনি বলেন, চিড়িয়াখানায় ঘুরে ঘুরে তাঁরা এমনিতেই ক্লান্ত। এর মধ্যে চিড়িয়াখানা থেকে বের হয়ে যানবাহন পাচ্ছেন না। তাই বাধ্য হয়ে হাঁটা শুরু করেছেন। ব্যবস্থাপনা আরও ভালো হওয়া দরকার ছিল। তাহলে সাধারণ মানুষকে এমন ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।